মোবাইল ব্যাংকিং
মোবাইল ব্যাংকিং হলো এক ধরনের ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং, যেখানে মোবাইল-প্রযুক্তি ব্যবহার করে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকের সাথে আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করা হয়। এ ব্যাংকিং-এর জন্য একজন গ্রাহকের একটি নির্দিষ্ট মোবাইল নম্বর প্রয়োজন যা অ্যাকাউন্ট নম্বর হিসেবে কাজ করে। এ পদ্ধতিতে লেনদেন করার জন্য ব্যাংক গ্রাহককে এক বা একাধিক Password সরবরাহ করে, যা কেবল গ্রাহক এবং ব্যাংকারই অবগত থাকেন। এ Password ব্যবহার করে গ্রাহক তার আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করে থাকেন।
১৯৬১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের “National Bank of New York” সর্বপ্রথম ইলেকট্রনিক ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু করে। পরবর্তীতে এ ইলেকট্রনিক সেবা ১৯৯১ সালে মোবাইলের মাধ্যমে প্রদান শুরু করে। তখন থেকেই মূলত মোবাইল ব্যাংকিং-এর যাত্রা শুরু হয়। ২০১১ সালে বাংলাদেশে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের মাধ্যমে এ ব্যাংকিং ব্যবস্থার যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে বাংলাদেশের ব্যাংকের অনুমোদনক্রমে UCB ব্যাংকসহ অন্যান্য প্রাইভেট ব্যাংক ভিন্ন ভিন্ন নামে মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু করে। যেমন— ব্র্যাক ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং-এর নাম হলো Bkash (বিকাশ), UCB-এর হলো U-cash, ইসলামী ব্যাংকের হলো M-cash ইত্যাদি।
এ ধরনের ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে গ্রাহককে আগের মতো ব্যাংকে কিংবা ATM বুথে দৌড়াতে হয় না। ঘরের পাশের Outlet-নির্দিষ্ট এজেন্ট থেকে ইচ্ছেমতো আর্থিক লেনদেন করতে পারে। এর ফলে গ্রাহকের ব্যয় হ্রাস পেয়েছে এবং মুনাফা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনসাধারণের কাছে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে গেছে। ফলে কম সময়ে ও কম অর্থ ব্যয়ে সবাই ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করতে সক্ষম হচ্ছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মতে, বাংলাদেশের মতো তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোতে মোবাইল ব্যাংকিং খুবই কার্যকর ব্যবস্থা। সর্বোপরি, মোবাইল ব্যাংকিং মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে ভূমিকা রাখছে।
বিশেষ নোট: অনুচ্ছেদ কিন্তু প্যারা করে লেখা যাবে না।
আরো অনুচ্ছেদ……
D9 Mega Campaign is coming! Look at this great deal!
Product Name: AirPods Pro 2nd Generation Wireless Charging wireless Earbuds
Check Best Price